বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২১, ২০২১
সর্বশেষঃ
*রাজনৈতিক স্বার্থে একটি গোষ্ঠী ধর্মকে অপব্যবহার করে বিভাজন তৈরি করতে চায়*কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান, অস্ত্রসহ ৭ রোহিঙ্গা গ্রেপ্তার*সারা দেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস*সমুদ্রসীমায় ঢোকার সময় ভারতীয় সাবমেরিনের পথ আটকানোর দাবি পাকিস্তানের*করোনার টিকা না পেয়ে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে প্রবাসীদের বিক্ষোভ*বিশ্বকাপে টিকে রইল বাংলাদেশ*সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাসহ ১১ জনের রায় আগামীকাল*ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে চট্টগ্রামে দেশের বৃহত্তম ধর্মীয় শোভাযাত্রা*বিশ্বে কোভিড সংক্রমণ ও মৃত্যু কমেছে – ডব্লিউএইচও*ভারতে উত্তরাখণ্ডে ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যায় নিহত বেড়ে ৪৬

গঙ্গায় “ইলিশ” ফেরাতে চায় ভারত

ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে পশ্চিমবঙ্গে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সেখানকার মৎস্য গবেষণা সংস্থা। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব এগ্রিকালচারাল রিসার্চের (আইসিএআর) অন্তর্গত সেন্ট্রাল ইনল্যান্ড ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিফরি) জানিয়েছে ৩ বছর গঙ্গার বিভিন্ন পয়েন্টে ৩০ হাজারের বেশি ইলিশের পোনা ছাড়া হবে। গত নভেম্বরেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

দেশটির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সিফরির বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে ফারাক্কা ব্যারেজের ডাউন স্ট্রিমের গঙ্গায় বেশি ইলিশ পাওয়া যায়। ৮ থেকে ১০ বছর আগেও ফারাক্কা ব্যারেজের আপ স্ট্রিমের বিহারের সাহেবগঞ্জ, উত্তর প্রদেশের বরাণসী ও এলাহাদের গঙ্গা নদীতেও বেশি ইলিশ পাওয়া যেত। এখন আপস্ট্রিমে তেমন ইলিশ পাওয়া যায় না। যেটুকু পাওয়া যায় তা ফারাক্কার ডাউন স্ট্রিমের গঙ্গায়। এ কারণে ইলিশ বড় হতে পারে না। ছোট অবস্থায়ই তা জেলেরা তুলে ফেলেন। এবার উৎপাদন বাড়াতে তিন বছর মেয়াদি গবেষণা পরিকল্পনা নিল সিফরি।

সিফরি আরও জানায়, গত বছরের নভেম্বর থেকে শুরু করা হয়েছে এই উদ্যোগের কার্যক্রম। নতুন প্রকল্পে বড় ইলিশ ধরে তাদের ব্রিডিং করানো হবে। তারপর সেখান থেকে উৎপাদিত ইলিশের পোনা ১৭০ গ্রাম থেকে ২৫০ গ্রাম ওজন হলে তা ছাড়া হবে গঙ্গার ডাউন ও আপস্ট্রিমে। এই পোনা পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া বিহারের সাহেবগঞ্জ, রাজমহল, উত্তর প্রদেশের বরাণসী ও এলাহাদের গঙ্গায়ও ছাড়া হবে। লক্ষ্য ইলিশের উৎপাদন বাড়ানো ও বংশবৃদ্ধি করা।

সিফরি সূত্রে আর বলা হয়, এই ডিম পোনা থেকে প্রথম এক বছরে ইলিশ মাছ মাত্র ২০০-২৫০ গ্রাম ওজনের হয়। এক কেজি ওজনের ইলিশ হতে সময় লাগে এক বছর। এ কথাও ঠিক দেরিতে বাড়লে এই ইলিশ সবচেয়ে বেশি ডিম দেয়। একটা ইলিশ ৯ লাখ থেকে ৩০ লাখ পর্যন্ত ডিম দেয়।

সিফরির বলছে, তাদের ছাড়া ৩০ হাজার মাছের মধ্যে যদি ৫ শতাংশও বাঁচে তবে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে গঙ্গায় ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ মিলবে।

সিফরির পরিচালক বসন্ত কুমার দাস সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, গঙ্গায় ইলিশ কমছে। বাংলার মানুষও দিনে দিনে ইলিশের স্বাদ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। মৎস্যজীবীরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। তাই ইলিশের উৎপাদন বাড়ানো এবং ইলিশ রক্ষার জন্য সিফরি এই প্রকল্প হাতে নিয়েছে। আগামী ২০২৩ সাল পর্যন্ত এই প্রকল্প কার্যকর থাকবে।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

22,042FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles