রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১

চিনির দর নির্ধারণ করলেও বিক্রি হচ্ছে বেশি দামেই

পাঁচ টাকা কমিয়ে সরকার চিনির দাম নির্ধারণ করে দিলেও, রাজধানীতে বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামেই। খোলা চিনি কেজিপ্রতি ৭৮ টাকায় আর প্যাকেটজাত চিনি ৮২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঊর্ধ্বমুখী অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামও। চিনির ঊর্ধ্বমুখী দামে যখন অস্থিতিশীল নিত্যপণ্যের বাজার। তখন বৃহস্পতিবার খোলা ও প্যাকেটজাত চিনির সর্বোচ্চ দাম বেঁধে দেয় সরকার। শনিবার রাজধানীর কারওয়ানবাজারে এসে দেখা গেল বেঁধে দেওয়া দামের চেয়ে ৬ টাকা বেশিতে কেনাবেচা হচ্ছে এই নিত্যপণ্য। এক বিক্রেতা বলেন, ‘আমরা যেরকম কিনে নিয়ে আসছি বেশি দাম দিয়ে লাভের জন্য কাস্টমারের কাছেও বিক্রি করতে হয় বেশি দাম দিয়ে। খোলা চিনি বিক্রি করছি করছি ৭৮ টাকায় আর প্যাকেটের চিনি বিক্রি করছি ৮২ টাকায়।

 
শুধু চিনি নই ধাপে ধাপে মসুর ডাল, আটা ময়দা ও তেলের দাম বাড়ছে বলেও জানালেন বিক্রেতারা। এক মুদি দোকানদার বলেন, ‘সৈয়াবিন তেল দুইদিনের মধ্যে লিটারে ৪ টাকা বেড়েছে। খোলা তেলের দাম বেশি সেজন্য বোতলজাত তেলের দামও বেড়েছে। মশুর ডালের দাম বেশি বেড়েছে। ২০/২৫ দিন আগেও মশুর ডালের কেজি ছিল ৭৫ টাকা আর এখন ৮৫ থেকে ৯০ টাকা প্রতি কেজি।’

বাজারে এসে নাভিশ্বাস ওঠা ভোক্তারা বলছেন, বাজার তদারকি শক্ত না হলে থামবে না ইচ্ছে মতো দাম বাড়ানোর প্রবণতা।
বাজার করতে আসা এক ক্রেতা বলেন, ‘নিত্যপণ্যের দাম বাড়লে আমরা যারা মধ্যবিত্ত পরিবার আছি তাদেরকে খুব হিমসিম খেতে হয়। অনেক সময় দেখা যায়, যে টাকা নিয়ে বাজারে আসি সেই টাকা দিয়ে প্রয়োজনীয় সব কেন সম্ভব হয় না। অনেক কিছু না কিনেই চলেই যেতে হয়।’

আরেক ক্রেতা বলেন, ‘সরকার শুধু দাম নির্ধারণ করে দিলে হবেনা। বাজারও মনিটরিং করতে হবে। তাহলে আর ব্যবসায়ীরা নিজের ইচ্ছেমতো দাম বাড়াতে পারবে না।’
ভোক্তার স্বার্থ বিরোধী কর্মকাণ্ড পেলে জরিমানা করার পাশাপাশি ক্রেতা-বিক্রেতাদের সচেতন করছেন ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ দল।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুম আরেফিন বলেন, ‘আমরা বাজার মনিটরিং করে দেখলাম কিছু প্রতিষ্ঠান সরকার বেধে দেওয়া দামে বিক্রি করছে আবার কিছু প্রতিষ্ঠান একটু বেশি দামে বিক্রি করছে। যারা বেশি দামে বিক্রি করছে তাদেরকে আমরা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের আওতায় এনে জরিমানা করছি।’
আন্তর্জাতিক বাজারের দোহাই দিয়ে দাম বাড়ানো হয় মাঝেমাঝেই। তাই বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকেও নজরদারিতে রাখার দাবি ভোক্তাদের।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

22,042FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles