বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২১, ২০২১
সর্বশেষঃ
*রাজনৈতিক স্বার্থে একটি গোষ্ঠী ধর্মকে অপব্যবহার করে বিভাজন তৈরি করতে চায়*কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান, অস্ত্রসহ ৭ রোহিঙ্গা গ্রেপ্তার*সারা দেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস*সমুদ্রসীমায় ঢোকার সময় ভারতীয় সাবমেরিনের পথ আটকানোর দাবি পাকিস্তানের*করোনার টিকা না পেয়ে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে প্রবাসীদের বিক্ষোভ*বিশ্বকাপে টিকে রইল বাংলাদেশ*সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাসহ ১১ জনের রায় আগামীকাল*ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে চট্টগ্রামে দেশের বৃহত্তম ধর্মীয় শোভাযাত্রা*বিশ্বে কোভিড সংক্রমণ ও মৃত্যু কমেছে – ডব্লিউএইচও*ভারতে উত্তরাখণ্ডে ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যায় নিহত বেড়ে ৪৬

না ফেরার দেশে চলে গেলেন কণ্ঠশিল্পী ইন্দ্রমোহন রাজবংশী

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত কণ্ঠশিল্পী ইন্দ্রমোহন রাজবংশী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।বুধবার সকাল ১০টা ২০ মিনিটে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যু বরণ করেন। গত বৃহস্পতিবার বুকে ব্যথা অনুভব করলে মহাখালী মেট্রোপলিটন হাসপাতালে করোনা পরীক্ষা করান স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক ইন্দ্রমোহন রাজবংশী। পরীক্ষায় তার করোনা পজিটিভ আসে,আরো সেই সাথে ফুসফুসে ইনফেকশন ধরা পড়ে। পরে গত ৩ এপ্রিল তাকে রাজধানীর মালিবাগের প্রশান্তি হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করানো হয়। পরবর্তী আবার ৪ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। এরপর অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানেই আজ মারা যান তিনি।শিল্পীর ভাই অনঙ্গম রাজবংশী ও শ্যালিকা শিপ্রা ঘোষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুকালে ইন্দ্রমোহন রাজবংশী রেখে গেছেন স্ত্রী দীপ্তি রাজবংশী, পুত্র রবীন রাজবংশী ও মেয়ে প্রবাসীকে। তারা নিজেরাও লোকগানের সাথে জড়িত।ইন্দ্রমোহন রাজবংশী মূলত লোকগানের শিল্পী ও মুক্তিযোদ্ধা। তিনি শুরুর জীবনে ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালী, জারি, সারি, মুর্শিদি ইত্যাদি গান গেয়ে মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন গ্রাম-বাংলায়। পরবর্তীকালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান গেয়ে নিজেকে রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন তিনি। ২০১৮ সালে সংগীত বিভাগে একুশে পদক লাভ করেন ইন্দ্রমোহন।শিল্পী ইন্দ্রমোহন রাজবংশীর পরিবার পাঁচ পুরুষ ধরে গান লেখার সাথে যুক্ত। তিনি নিজে মূলত লোকগানের শিল্পী। সংগীত কলেজে লোকসংগীত বিভাগের প্রধান হিসেবে কাজ করেছেন দীর্ঘদিন ইন্দ্রমোহন রাজবংশী।১৯৫৭ সালে ছোটদের আসরে গান করতে শুরু করেন তিনি। ১৯৭১ সালে সরাসরি অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পাকিস্তানিদের হাতে ধরা পড়ে ভিন্ন নামে দোভাষীর কাজ করতে হয় কিছুদিন তাকে। পরবর্তী সময়ে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা দিতে তিনি যুক্ত হন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে। গান লেখা, সুর করা ও গাওয়া ছাড়াও লোকগান সংগ্রহ করতেন তিনি। গত ৫০ বছরে এক হাজার কবির লেখা কয়েক লাখ গান সংগ্রহ করেছেন গানের রাজবংশী।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

22,042FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles