বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১

রাজধানীর ৬৫% নির্মাণাধীন ভবনে এডিসের লার্ভা পাওয়া যায়: মেয়র আতিক

রাজধানীর প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকায় এডিসের ঘনত্ব আশঙ্কাজনক। মৌসুমি জরিপের দুই তৃতীয়াংশ শেষে এমনটাই জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। যেখানে বর্ষা শুরুর আগের জরিপে এই হার ছিল পঁচিশ ভাগের কম।

ডেঙ্গু বাহক এডিসের ঘনত্ব কেমন তা জানতে প্রতিবছরই বর্ষা মৌসুমে ও এর আগে পরে তিন দফায় জরিপ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। চলতি বর্ষাতেও শুরু হয়েছে মৌসুমি জরিপ। জরিপে এডিসের লার্ভা পাওয়া গেছে এমন এক বাড়ির মালিক বলেন, অবশ্যই এটা আমাদের ভুল। বাড়ির কেয়ারটেকার নাই, সেজন্য তো এভাবে ফেলে রাখা ঠিক হয়নি আমাদের।

জরিপকারীরা বলছেন, প্রধানত পরিত্যক্ত টায়ার ও ড্রামের জমে থাকা পানির মধ্যেই এডিসের লার্ভা বেশি পাওয়া যাচ্ছে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ৯৮ টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৯৬ টি ওয়ার্ডে একটি করে এলাকা। উত্তরা আর ধানমন্ডিতে দুটি এলাকা নিয়ে দশ দিনে ১০০টি এলাকায় হয় এই জরিপ। সেখান থেকে ব্রটো ইনডেক্স ২০ এর বেশি পেলেই তাকে আশঙ্কাজনক হিসেবে ধরা হয়। প্রতি এলাকায় পাওয়া ১০০টি, পাত্র, কিংবা স্বচ্ছ পানি জমে আছে এমন জায়গায় ২০টিতে এডিসের লার্ভা মিললে তাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

এবারের বর্ষায় সাত দিনের জরিপ শেষে অধিদপ্তর বলছে প্রায় ৭০ ভাগ এলাকায় ব্রুটো ইনডেক্স ২০ এর বেশি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কিটতত্ত্ববিদ মো. খলিলুর রহমান বলেন, গত সাত দিনে আমরা ৭০টি ওয়ার্ডে জরিপ করেছি। এর মধ্যে ৭০ ভাগ এলাকায় ব্রুটো ইনডেক্স ২০ এর বেশি।

অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা বলছে এবারের বর্ষার ধরণ আর অসচেতনয়ই বাড়ছে এডিসের প্রকোপ, বাড়ছে ডেঙ্গু। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিপিএম (ডেঙ্গু) ডা. আফসানা আলমগীর খান বলেন, দুই-তিন দিন ধরে বৃষ্টি নেই, আবার দুই-তিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে। এমনটা আগে কখনো দেখা যায়নি। যদি এ বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার কারণ খোঁজা হয়, তাহলে এটাও একটা।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আরও জনসম্পৃক্তরা নিশ্চিত করতে না পারলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবার শঙ্কা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

22,042FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles