সর্বশেষঃ
*ইসরায়েল জাতিসংঘের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান*করোনায় দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৪০ জন*ভারতে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪২০৫ জনের মৃত্যু*আবারও মামুনুল হকের ১৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত,পাঁচ মামলায়*মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সহসভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন মাতুককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ*ফেরিতে যাত্রীরচাপে ৫ জন নিহিত, গুরুতর আহত বেশ কয়েকজন*তৌহিদ আফ্রিদি চাঁদ রাতের নাটকে*বঙ্গবন্ধু কন্যা মানবিক বলেই দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন*গাজীপুরে মাইক্রোবাস ধাক্কা দিলেন র‍্যাবের গাড়িকে, র‍্যাব সদস্যসহ ২ জন নিহত*আরো ‘সিনোফার্ম’ টিকা আনার চেষ্টা চলছে চীন থেকে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

১০ টাকা দিয়ে আজ সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা

১৪ বছর বয়সের কিশোর। সংসার চালাতে বাবাকে কিছুটা সহযোগিতা করতেই ১০ টাকা পকেটে নিয়ে মাদারীপুরের শিবচর থেকে লঞ্চে উঠে বসলেন। নারায়ণগঞ্জের কাঠপট্টি এলাকায় নেমে গেলেন। এলাকার পরিচিত এক বড় ভাইয়ের গদিতে উঠলেন। কয়েক দিন পর রব ভূঁইয়া নামের গদি থেকে এক বান্ডিল সুতা (১০ পাউন্ড) বাকিতে কিনে এক ক্রেতার কাছে বিক্রি করলেন। তাতে মুনাফা হলো ৪ টাকা।

১৪ বছর বয়সে টানবাজারে আসার পর দ্রুতই ব্যবসা বাড়তে থাকে বাদশা মিয়ার। তখন সুতা বেচাকেনায় দালালি প্রথা ছিল। এক দোকানের সুতা অন্য দোকান বা ক্রেতার কাছে বিক্রি করে কমিশন মিলত। এক বেল সুতা (৪৮০ পাউন্ড) বিক্রি করতে পারলে ৭ টাকার মতো আয় হতো। প্রথম দিকে সুতার দালালি করে ভালো অর্থ উপার্জন করেন বাদশা মিয়া।।

বাদশা মিয়া বললেন, ‘শুরুর দিকে আমার টাকাপয়সা ছিল না। গাজীপুরের কাশেম কটন মিলের নির্বাহী পরিচালক মঈনুল ইসলাম সাহেব আমাকে স্নেহ করতেন। ১-২ বেল সুতা আমার নামে বরাদ্দ দিতেন।’

১৯৭৬ সালে পাইকারি সুতা বিক্রির লাইসেন্স করেন। বিভিন্ন হাটেও সুতা বিক্রি করেছেন। বললেন, ‘বেশি মুনাফার আশায় টেক্সটাইল মিল থেকে সুতা নিয়ে সরাসরি হাটে হাটে দৌড়াতাম। আবার অনেক সময় রাতের বাসে বিভিন্ন জেলার বস্ত্রকলে চলে যেতাম। পরদিন বস্ত্রকল থেকে সুতাভর্তি ট্রাক নিয়ে নারায়ণগঞ্জ ফিরতাম।’

১৯৮২ সালের মধ্যে কয়েক কোটি টাকার মালিক হয়ে যান বাদশা মিয়া। ১৯৮৩ সালে একসঙ্গে চার-পাঁচটি বস্ত্রকলের সুতা বিক্রির এজেন্ট হোন। এজেন্ট হওয়ার পর ব্যবসা আরও দ্রুত বাড়তে থাকে তাঁর।

১৯৭৫ সালের সেই কিশোর আজকের মো. বাদশা মিয়া। প্রতিষ্ঠা করেছেন বাদশা টেক্সটাইল, কামাল ইয়ার্ন, পাইওনিয়ার নিটওয়্যার ও পাইওনিয়ার ডেনিম নামের চারটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান। ময়মনসিংহের ভালুকা ও হবিগঞ্জে বাদশা মিয়ার চার কারখানায় কাজ করেন ২৫ হাজারের বেশি কর্মী। বার্ষিক লেনদেন ৪০ কোটি ডলারের বেশি, যা দেশীয় মুদ্রায় ৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। টানা পাঁচবার রপ্তানি ট্রফি পেয়েছে বাদশা টেক্সটাইল ও কামাল ইয়ার্ন।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

21,946FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles