শনিবার, জুন ১৯, ২০২১

ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স দিয়ে গ্রাহকে ভোগান্তির দিন শেষ হচ্ছে

মোবাইল ফোনের নম্বর ঠিক রেখে অপারেটর বদলে ‘ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স’ দিয়ে গ্রাহক আটকে রাখার দিন শেষ হচ্ছে। শুধু তাই নয়, অপারেটররা দিতে পারবে না কোড-সংক্রান্ত জটিলতার অজুহাতও। মোবাইল ফোন অপারেটরদের অসহযোগিতায় ধুঁকছে এমএনপি কার্যক্রম। সেবায় গতি আনতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কঠোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ইনফোজিলিয়ন টেলিটক বিডি ও মোবাইল ফোন অপারেটর রবি।  

এমএনপি মূলত সেবা নিয়ে মোবাইল ফোন অপারেটরদের মধ্যে পারস্পরিক প্রতিযোগিতা। ২০১৮ সালে এমএনপি সেবা চালুর পর থেকে মোবাইল ফোন অপারেটরদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, গ্রাহকদের অপারেটর বদল আটকাতে অজান্তে ‘ইর্মাজেন্সি ব্যালেন্স’ সরবরাহ করেন তারা। আবেদন বাতিলে দেয়া হয় এসএমএস কিংবা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড জটিলতার অজুহাতও।

এমএনপি অপারেটর ইনফোজিলিয়ন টেলিটেক বিডি বলছে, এমএনপি সেবার ক্ষেত্রে ইমাজেন্সি ব্যালেন্সে বাতিল হয় ১৫-২০ শতাংশ আবেদন। ২০১৮ সালে মাসে গড়ে ৫৭ হাজার গ্রাহক অপারেটর বদল করলেও বর্তমানে এ সংখ্যা মাত্র ১৫ হাজার।

ইনফোজিলিয়ন টেলিটেক বিডির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকার বলেন, আমাদের রেভিনিউ আসার ওপর একটা ক্রিটিক্যাল প্রভাব ফেলেছে।    

ব্যবসায়িকভাবে ধুঁকতে থাকায় এমএনপি অপারেটরকে আর্থিক ছাড় দিয়েছে বিটিআরসি। সরকারের সঙ্গে রাজস্ব ভাগাভাগির হার ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে পাঁচ শতাংশ করা হয়েছে। এবার গ্রাহক আটকানো বন্ধে বিটিআরসি বলছে, কোনো গ্রাহককের ইর্মাজেন্সি লোন থাকলেও গ্রাহক যে অপারেটরে যেতে ইচ্ছুক, লোনের দায়িত্ব নিতে হবে সংশ্লিষ্ট অপারেটরকেই।

বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র বলেন, যদি কোনো টাকা পয়সা বকেয়া থাকে, যে রেভিনিউয়ের সাথে যুক্ত হতে চায়, শেয়ারের দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারে, বিটিআরসি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু কোনোমতে এমএনপির জন্য যদি কেউ আবেদন করে তাহলে ওটাকে হল্ট করানো যাবে না।    

দেশের ১৭ কোটি মোবাইল ফোন গ্রাহকের মধ্যে এ পর্যন্ত প্রায় ১১ লাখ গ্রাহক অপারেটর বদল করেছেন।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

22,042FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles