মঙ্গলবার, জুন ১৫, ২০২১

চীনের বৃহত্তম রকেটের ধ্বংসাবশেষ আজ রোববার ভারত মহাসাগরে পড়েছে বলে দাবি করেছে চীন

চীনের বৃহত্তম রকেটের ধ্বংসাবশেষ আজ রোববার ভারত মহাসাগরে পড়েছে বলে দাবি করেছে চীন।

রকেটের ধ্বংসাবশেষ বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের পরই এর অধিকাংশ পুড়ে গেছে বলে চীনা সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে।

চীনের মানববাহী মহাকাশযান প্রকৌশল কার্যালয়ের বরাত দিয়ে চীনের সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, ‘লং মার্চ ৫বি রকেট’-এর অংশবিশেষ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের পরপরই ধ্বংস হয়ে যায়।

বেইজিংয়ের সময় রোববার সকাল ১০টা ২৪ মিনিটে দ্রাঘিমাংশের ৭২ দশমিক ৪৭ ডিগ্রি পূর্বে এবং অক্ষ্মাংশের ২ দশমিক ৬৫ ডিগ্রি উত্তর বরাবর এটি পতিত হয়েছে। এ অনুযায়ী ঢাকার সময় রোববার সকাল ৮টা ২৪ মিনিটে রকেটের ধ্বংসাবশেষের পতন হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রো ফিজিক্সের বিজ্ঞানী জনাথন ম্যাকডোয়েল এর আগে সিএনএনকে বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি, রকেটটি আগামী ৮ থেকে ১০ মে’র মধ্যে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করবে। এ সময়ের মধ্যে চীনা রকেটটি প্রতি দুই দিনে পৃথিবীকে ৩০ বার প্রদক্ষিণ করবে। এ সময়ে ঘণ্টায় এটির গতি থাকবে ১৮ হাজার মাইল (প্রায় ২৯ হাজার কিলোমিটার)।

পৃথিবীর কক্ষপথে নিজেদের একটি মহাকাশ কেন্দ্র বানাতে যাচ্ছে চীন। প্রকল্পের নাম- ‘তিয়ানহে মহাকাশ স্টেশন’। এটি উৎক্ষেপণের জন্য কিছুদিন ধরেই প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশটি। ওই মহাকাশ স্টেশনের একটি ‘মডিউল’ (অংশ) পরীক্ষামূলকভাবে পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠাতে গত ২৮ এপ্রিল ‘লং মার্চ ৫বি’ রকেট উৎক্ষেপণ করেছিল চীনা মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।

মহাকাশ অভিযানের ক্ষেত্রে চীন তার কার্যক্রম শুরু করেছে বেশ দেরিতে। ২০০৩ সালে চীন প্রথম তার নভোচারীকে কক্ষপথে পাঠায়।

এখন পর্যন্ত চীন মহাকাশের কক্ষপথে এর আগে পাঠিয়েছে দুটি স্পেস স্টেশন। তিয়ানগং-১ এবং তিয়ানগং-২ নামের এ দুটি স্টেশনই ছিল পরীক্ষামূলক মহাকাশ স্টেশন। এগুলো ছিল খুবই সাদামাটা ধরনের মডিউল, যেখানে নভোচারীদের অল্প সময় থাকার ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

22,042FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles